ফ্রি Wifi ব্যবহার করার আগে কেন সাবধান থাকবেন জেনে নিন।

আজাকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি
কেন ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার থেকে
সাবধান থাকবেন।
বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং বিভিন্ন
পাবলিক প্লেসে ফ্রি তে ওয়্যারলেস
ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা যায়। ফ্রি তে
ওয়াই-ফাই কানেকশন পাওয়া মাত্র আমরা
ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু করি। কিন্তু বিনা
পয়সার এই ওয়াই-ফাই কতটা নিরাপদ
আপনি কখনও ভেবে দেখেছেন?
এক্সপার্টরা বলছেন, বিনা মূল্যের ওয়াই-
ফাই ব্যবহারের আগে একবার ভেবে দেখা
উচিত। প্রয়োজনে হোক আর অপ্রয়োজনে,
বিনা মূল্যের ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে ই-
মেল, সোশ্যাল সাইটের ব্যবহার করার সময়
সতর্ক থাকা উচিত। কারণ, সামান্য
অসাবধানতায় আপনার ব্যক্তিগত তথ্য
সাইবার অপরাধীদের কাছে পাচার হয়ে
যেতে পারে। সাধারণত তরুণেরাই এ ধরনের
সমস্যায় পড়ে।
তাই আমদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য ৬টি
গুরুতপূর্ণ টিপস নিয়ে আসলাম তা হল:
১. সব সময় সতর্ক থাকুনঃ
সকলের জন্যে ফ্রি তে ওয়াই-ফাই
সাধারণত নিরাপদ হয় না। হ্যাকার চাইলে
এই নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদানের
সময় আপনার তথ্য চুরি করে নিতে পারে।
ধরুন, কোনও পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার
করার সময় একই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে—
এমন তৃতীয় কোনও ইউজারের কাছে ডেটা
চলে যেতে পারে। তাই খুব প্রয়োজন না
হলে ওপেন ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা থেকে
বিরত থাকুন।
২. ফোনের অপারেটিং সিস্টেম সবসময়
আপডেট রাখুনঃ
সবার আগে খেয়াল রাখতে হবে আপনার
ফোনের অপারেটিং সিস্টেম আপডেট
আছে তো? আপডেট অপারেটিং সিস্টেম
শুধু আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন বা
আইফোনের নতুন ফিচারের জন্যই নয়।
আপডেট অপারেটিং সিস্টেমে
স্মার্টফোন থেকে তথ্য চুরি হওয়া ঠেকাতে
বিশেষ সিকিউরিটি দেওয়া থাকে। যখনই
ফোনের অপারেটিং সিস্টেম আপডেট
আসবে, তা ইনস্টল করে নেবেন। এটা
শুধুমাত্র ফ্রি তে ওয়াই-ফাই ব্যবহারের
জন্য নয়, বরং স্মার্টফোন নিরাপদ রাখতে
আপডেট রাখা জরুরি।
৩. ফোনের সিকিউরিটি সফটওয়্যার অবশ্যই
জরুরিঃ
যাঁদের প্রায় সময় পাবলিক ওয়াই-ফাই
ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে, তাঁদের
স্মার্টফোনে অবশ্যই উপযুক্ত সিকিউরিটি
সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকতে হবে।
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ইউজারদের
ম্যালওয়্যারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি
রয়েছে। সিকিউরিটি সফটওয়্যার থাকলে
ম্যালওয়্যার স্ক্যান ও তা দূর করা যায়।
৪. ফ্রি ওয়াই-ফাইয়ে অনলাইন শপিং বা
ব্যাংকিং করবেন নাঃ
পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে
অনলাইনে কেনাকাটা কিংবা ব্যাংকিং
লেনদেন নিরাপদ নয়। মোবাইল ইন্টারনেট
এক্ষেত্রে নিরাপদ।
৫. দরকার না হলে ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখুনঃ
দরকারি কাজ হওয়ামাত্রই ওপেন ওয়াই-
ফাই ব্যবহার বন্ধ করে দিন। যেসব
পরিষেবা ব্যবহার করেছেন, সেগুলোতে
সাইন-ইন করা থাকলে সাইন আউট করবেন।
দ্রুত ওয়াই-ফাই বন্ধ করলে স্মার্টফোনে
ম্যালওয়্যার আসবে না।
৬. ভিপিএন ব্যবহার করুনঃ
ভিপিএন ছাড়া পাবলিক ওয়াই-ফাই
ব্যবহার করবেন না। এতে অনেক ঝুঁকি কমে।
অনেক ভিপিএন মোবাইল অ্যাপস পাবেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.